হঠাৎ উত্তপ্ত মিশরের রাজপথ, বিশ্বাসঘাতকের তকমা পাওয়া সিসির পদত্যাগ দাবি

0 Shares

মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগ রয়েছে মিশরের প্রেসিডেন্ট সিসি’র বিরুদ্ধে। মিসরে হঠাৎ সরকার বিরোধী স্লোগান নিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছে মানুষ। দেশটির অন্যতম অঞ্চল গিজায় এ বিক্ষোভ হয়। খবর আলজাজিরার।

তবে বিক্ষোভের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

বিক্ষোভের কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা ব্যানার প্রদর্শন করে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল-সিসির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছে।

গিজার কাদায়া গ্রামে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করতে দেখা গেছে বিক্ষোভকারীদের। তারা এ সময় স্লোগান দেয়, ‘আল্লাহর কাছে আমাদের আর্জি এই অভ্যুত্থানকারীর (প্রেসিডেন্ট সিসি) পতন হোক।’

গত বছরের সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদ আলি নামে একজন সাবেক সামরিক টিকাদারের ডাকে মিসরজুড়ে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল।

২০১৯ সালের সেই বিক্ষোভ দমনে বড় ধরনের অভিযান চালায় সিসি সরকার। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, অভিযানে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই ঘটনার এক বছর পূর্তিতে ২০ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ আলি ফের সরকার বিরোধী বিক্ষোভের ডাক দিলে দেশটি জুড়ে সতর্কতা জারি করে সরকার।

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে কাতারের দৃঢ় অবস্থান

আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে ফিলিস্তিন সংকটের সমাধান করতে চায় কাতার।

ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারির অবসান ও জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করছে বলে জানায় কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
গতকাল রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ফিলিস্তিন বিষয়ে সংশয় তৈরি হলে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতি প্রকাশের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফিলিস্তিন বিষয়ে দোহার অবস্থান খুবই স্পষ্ট। ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ফিরে যাওয়ার অধিকার প্রদানের পক্ষে দোহা। তা ছাড়া এটিকে ৭০ বছরের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের স্থায়ী ও মৌলিক সমাধান বলে মনে করে কাতার।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘ফিলিস্তিনের মৌলিক অধিকার বিষয়ে কাতারের সুনামকে বিনষ্টের চেষ্টা করছে অনেক সংবাদমাধ্যম। অথচ ফিলিস্তিনবাসীর অধিকারের পক্ষে কাতার সব সময় সহায়তা করে আসছে। ফিলিস্তিনবাসীর মৌলিক অধিকার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন হওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনের দুঃখ-দুর্দশা বিলোপে কাজ করে যাবে কাতার।’
গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের ‘আল আরাবিয়া’ চ্যানেলে আমেরিকার উপসাগর বিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ট্যামুতি লান্ডারকিনের বরাত দিয়ে বলা হয় যে ‘কাতার ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরে সায় দেবে।’

তবে পরের সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকার দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা বলেন যে ‘কাতার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। এবং ওয়াশিংটন অবস্থান বুঝে নিয়েছে।’ এতে আরো বলা হয়, ‘স্বাভাবিক করা নিয়ে কাতারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত আছে।’

এ ছাড়া গত ১৪ সেপ্টেম্বর কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লুলুওয়াহ আল খাতির যুক্তরাষ্ট্রের এক গণমাধ্যমকে ফিলিস্তিন সংকটের সমাধানের আগে ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক না করার ঘোষণা দেন।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি ও আলজাজিরা।

0 Shares