চিরকালের জন্য মুখের ব্রণ দূর করার উপায় কি

0 Shares

ব্রণ দূর করার উপায়

ব্রণ দূর করার উপায় কি? আমাদের মুখ আয়নার মত কাজ করে। আমাদের শরীরের ভিতরে সমস্যা হয় তখন সেটা মুখে কালো দাগ,বর্ণ বা পিম্পল হয়ে থাকে। ব্রণ দূর করার উপায় জানুন।
ব্রণ দূর করার উপায়
যেমন মুখে ছোট বড় বোনও বাপ্পি থাকা এবং পরে সেটা সারা মুখে ছড়িয়ে পড়া আবার একই জায়গায় বারবার কোন হওয়া হাজারো চেষ্টা করার পরও আবার সেই পুরো ফিরে আসে আপনার চেহারাই আর এটাই আপনাকে ইশারা করে যে প্রবলেম শুধু বাইরে নয় শরীরের ভেতরে রয়েছে। আর যা সেটা  শেষ হতে দিচ্ছে না।
যদি আপনি পুরোপুরি মুক্তি চান তবে আপনাকে বুঝতে হবে যে মুখে কিছু মেখে আপনার কোন বা পিম্পল কমবে না।

ব্রণ দূর করার উপায় কি?

মুখে কিছু লাগানোর আগে আপনাকে আপনার খাওয়া-দাওয়ার উপরও নজর দিতে হবে এইজন্য আমি বনবা পিম্প্লে এই প্রবলেম পুরোপুরি ঠিক করার জন্য 5 থেকে 6 টা আর্টিকেল লেখার কথা ভেবেছি। যেটাতে বর্ণ হওয়া থেকে শুরু করে বর্ণ থেকে যাওয়ার দাগ বা গর্ত কিভাবে ঠিক করা যায় সেটার ব্যাপারে কথা হবে।
এই আর্টিকেলটি একদম প্রথম। এই আর্টিকেলটিতে আমরা জানবো একই জায়গায় বারবার বর্ণ কেন হয়। এটাকে কিভাবে কমানো যেতে পারে।
  • part-2 আর্টিকেল। আমরা জানব পিম্পেল সমস্যার সময় আমাদের কি খেতে হবে আর কি খাওয়া একদম উচিত নয়।
  • part-3 তে আমরা জানব কিছু এমন ভুল যেটা পিম্পেল বর্ণ বাজে থেকে আরো বাজে বানিয়ে থাকে আমরা বুঝতেও পারিনা।
  • part-4 তে আমরা জানবো বর্ণ থেকে মুক্তি পাবার জন্য মুখে লাগানোর ক্রিম ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে বানানো কিছু টিপস।
  • part-5 তে আমরা জানব পিম্পেল বা বর্ণ চলে যাওয়ার পরে যে গর্ত থাকে সেটা কিভাবে ঠিক করব সেটার ব্যাপারে।

চিরকালের জন্য মুখের ব্রণ দূর করার উপায়

এবার চলুন শুরু করি, একই জায়গায় বারবার বর্ণ কেন হয়? সেটা কিভাবে থামানো যেতে পারে? আপনি একটা জিনিস খুব ভালো করে বুঝবেন। আমাদের মুখের যেকোনো জায়গায় কোন বর্ণ হবার একটাই কারণ হয়ে থাকে। তা হলো আমাদের মুখে ছোট ছোট ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া। লোম ছিদ্র বন্ধ হওয়ার ফলে আমাদের ভেতরে থাকা বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না।
আর ঠিক সেটা পিম্পেল বর্ণনের আকারে রূপ নেয়। তো এর থেকে বোঝা যায় যদি একটি কারণ থাকে তবে লোম ছিদ্র বন্ধ হবার অনেক কারণ রয়েছে।
যেমন আমাদের স্কিন খুব বেশি হয়নি হওয়া ওয়াইলি হওয়া বা ডাই হওয়া বা স্কিন পরিষ্কার না করা পাচনতন্ত্র তে সমস্যা থাকা বা আপনার মল ঠিক মতো বাইরে বের না হওয়া এবং মুখ আর চুলে আমরা অনেকেই কেমিক্যাল ব্যবহার করে থাকি। ও তার জন্য অনেক সময় দেখা যায়  কোন একটা জায়গায় বারবার বর্ণ হয়ে থাকে।
যেমন কারো মাথায় কারোর কপালে কারোর নাকে কারো দাড়িতে। ট্রেডিশনাল চাইনিজ মেডিসিনের চেহারার কোন জায়গায় কেন পিম্পল বা বর্ণ হচ্ছে সেটা জানা গেছে।

কপাল উপরিভাগ ব্রণ দূর করার উপায়

কপাল উপরিভাগ ব্রণ দূর করার উপায়
কপাল উপরিভাগ:
কপাল উপরিভাগ থেকে আমাদের কপাল বা ফোর হেড আমাদের পাচনতন্ত্র এবং মুদ্রার সাথে জুড়ে আছে।এইজন্য কপালে হয়ে থাকা বর্ণ পাচনতন্ত্র সমস্যা ও শরীরে জল কম থাকা কে নির্দেশ করে।
তাই এই সময় জরুরী এরকম ধরনের খাবার যেটা পোচতে অনেকটা সময় লাগে। যেমন খুব বেশি তেল মসলা আর ময়দা দিয়ে বানানো খাবার একদম খাবেন না। এই সময় টাটকা শাকসবজি ও ফলে আপনি বেশি ফোকাস করুন। ও তার সাথে দিনে তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার পানি পান অবশ্যই করুন।
কপালে থাকা পিম্পেল অনেক সময় মাথায় থাকার ড্যানড্রাফ এর জন্য হয়ে থাকে। চুলে ব্যবহার করার সেম্পু অয়েল জেল এয়ারস্পেইস প্রোডাক্ট এর ফলে হতে পারে। কারণ ড্যানড্রাফ এ পাওয়া ব্যাকটেরিয়ার  আর হেয়ার প্রোডাক্ট থাকা কেমিক্যাল কপালে কিছু জায়গায় চলে আসে, যার ফলে লোম ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায় আর বর্ণ সমস্যা শুরু হয়ে যায়। এই সময় জরুরী কেমিক্যাল ফ্রি প্রডাক্ট ব্যবহার করা।
মানে হলো এমন পোডাক ব্যবহার করবেন লোম ছিদ্র কে বন্ধ করবে না। আর তার সাথে যখনই আপনি আপনার চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধোবেন মাথাকে পেছনের দিকে ঝুকিয়ে মাথাটাকে ধোবেন। শ্যাম্পু থাকা জল আপনার মুখের উপর দিয়ে পড়বে না। আর এটা করলে  শ্যাম্পু থাকা কেমিক্যাল আপনার মুখে যাবে না।

কপালের নিচের অংশে ব্রণ দূর করার উপায়

কপালের নিচের অংশে ব্রণ দূর করার উপায়
কপালের নিচের অংশ:
এবার আসি কপালের নিচের অংশে এই জায়গাটি আমাদের পেনের পাচনতন্ত্র এবং ফুসফুসের সাথে জুড়ে থাকে। এই জন্য কপালের নিচের অংশে আশা পিম্পেল বা বর্ণ ট্রেস,ডিপ্রেশন ও ঘুমের পরিমাণ কম হওয়াকে নির্দেশ করে থাকে।
এর জন্য রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়বেন। আর ছয় থেকে আট ঘন্টা ভালো করে ঘুমাবেন। আর অল্প একটু এক্সারসাইজ করুন, সাথে মেডিটেশন ও ইয়োগাকরতে পারেন। আর যদি আপনি মুসলমান তবে নামাজ পড়তে পারেন। এটা ইয়োগা বা মেডিটেশন এর মতনই আপনার টেস্ট আর ডিপ্রেশনকে অনেকটাই কমিয়ে দেবে।

ভুড়োর মাঝখানে ব্রণ দূর করার উপায়

ভুড়োর মাঝখানে ব্রণ দূর করার উপায়
ভুড়োর মাঝখানে:
এখন কথা বলব দুটোর ভুড়োর মাঝখানে জায়গাটি নিয়ে। এই জায়গাটি আমাদের লিভারের সাথে জুড়ে আছে। এইজন্য দুটো ভুরোর মাঝে আশা পিম্পেল লিভারের সমস্যা কে নির্দেশ করে। অনেক ফ্যাট জাতীয় চর্বি জাতীয় খাবার খেলে তেলে ভাজা জাতীয় খাবার ফলে লিভারকে অনেক বেশি কাজ করতে হয়।
যার ফলে জরুরী এরকম ধরনের খাবার না খাওয়া। এবং ভালো খাবার খাওয়া যার ফলে লিভার ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

নাকের অংশ ব্রণ দূর করার উপায়

নাকের অংশ ব্রণ দূর করার উপায়
নাকের অংশ:
এবার আসি নাক আমাদের মুখে নাকের অংশটি হাডের সাথে জুড়ে আছে। এইজন্য নাকের হয়ে থাকা বর্ণ হাই ব্লাড প্রেসার টেস্ট ও রক্তে আসা জীবাণু এবং দূষিত রক্ত কে ইঙ্গিত করে থাকে।
এই সময় ধূমপান মদ্যপান আর অনেক বেশি তেল মসলা খাবার ও অনেক বেশি নুন ও চিনি দিয়ে বানানো খাবার খাবেন না। প্রতিদিন তিন থেকে চার লিটার পানি অবশ্যই পান করুন। ও তাজা ফল খান ও আপনার খাবারে ওমেগা থ্রি থাকা একদম অবশ্য।
ওমেগা থ্রি থাকা খাবার আপনার শরীরে দিতে হবে। যাতে আপনার শরীরে দূষিত রক্ত মলমূত্র মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে। ওমেগা থ্রি আপনি ফিস অয়েল এর মাধ্যমে পেয়ে যাবেন। সলমন,টোনা এই মাছ এর মধ্যে ওমেগা থ্রি বেশি মাত্রা পাওয়া যায়। কিন্তু ওই মাছ না পেলেও আপনি ফিস অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।আর যার মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি। ওমেগা থ্রি যে কোন ফার্মেসিতে পাওয়া যায় এটা আপনি কিনে ব্যবহার করতে পারেন।

নাকের আশে পাশে অংশে ব্রণ দূর করার উপায়

নাকের আশেপাশে অংশ:
আবার অনেক সময় নাকের আশেপাশে অংশে বর্ণ হয়ে থাকে। রাতে মুখ না ধুয়ে শোয়ার কারণে এগুলো হয়ে থাকে। কারণ মুখের এই জায়গাটিতে আমাদের শরীর বেশি তেল বের করে থাকে। আর তাই এই জায়গাতে তেলের  সাথে ধুলোমাটি ও জমতে থাকে এজন্য জরুরী আপনি ঘুমোনোর আগে অবশ্যই মুখ ধুয়ে ঘুমাবেন।

গালের অংশে ব্রণ দূর করার উপায়

গালের অংশে ব্রণ দূর করার উপায়
গালে অংশ:
এবার আসি গালে এই অংশটি আমাদের ফুসফুস ও লিভার সাথে যুক্ত। এজন্য গালে আসার বর্ণ লিভার,ফুসফুসের ও পাচনতন্ত্রের সমস্যা কি নির্দেশ করে। তাই এই সময় জরুরী যে জিনিস লিভার ও ফুসফুসে বেশি চাপ সৃষ্টি করে সেটা ত্যাগ করা। যেমন ধূমপান তামাক সেবন বা মদ্যপান পুরোপুরি বন্ধ করুন।
আর তার সাথে ডিয়ার প্রডাক্ট সুগার আর ফ্যাটি খাবার খুব কম খাবেন। আর ফুসফুসের জন্য পলিউশন থেকে বাচার খুবই জরুরী। এই জন্য বেশি পলিউশন এবার ধুলোমাটি এলাকায় যাওয়ার আগে পলিউশন মার্কস অবশ্যই ব্যবহার করুন।

গালের নিচের অংশে ব্রণ দূর করার উপায়

গালের নিচের অংশে ব্রণ দূর করার উপায়
গালের নিচের অংশ:
গালের নিচের অংশ আমাদের দাঁতের মাড়ি জুড়ে রয়েছে এখানে পিম্পল হওয়া মানে দাঁতের মাড়িতে থাকার জামস কে নির্দেশ করে। এর জন্য আপনাকে ভালোভাবে সময় দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। আবার অনেক সময় উপরের গালো নিচের গালে বর্ণ আসার কারণ বাজে বালিশ বা আপনার বালিশের কভার হয়তো আপনি শুনে অবাক হতে পারেন। কিন্তু রাতে ঘুমানোর সময় মাথায় থাকা তেল ও ব্যাকটেরিয়া চুল থেকে বালিশের চলে আসে আর বালিশ থেকে আপনার মুখে টেনেসফার হয়ে বরুন বা পিম্পল এর জন্ম হয়। এইজন্য দুই থেকে তিন দিন পর পর কিংবা সপ্তাহে 1 বার হলেও বালিশ এবং কপার পরিষ্কার করুন।

কানার অংশে ব্রণ দূর করার উপায়

কানার অংশে ব্রণ দূর করার উপায়
কানা অংশ:
এরপর কানা এই দুটো অংশ আমাদের কিডনির সাথে জুড়ে রয়েছে। এইজন্য কানে হয়ে থাকা বর্ণ বা পিম্পেল কিডনিতে আশা সমস্যাকে ও রক্তের দূষিত পদার্থ থাকাকে নির্দেশ করে।
তাই এইসময় মদ ও প্যাকেটজাত খাবার বর্জন করুন এবং বেশি বেশি জল পান করুন এবং ওমেগা-থ্রি থাকা খাবার বা ফিশ অবশ্যই ডায়েটে রাখুন। অনেক সময় কানের পাশে বর্ণ বা পেন্সিল মোবাইলে অনেকক্ষণ কথা বলার কারণেই হয়ে থাকে।

মুখের চোয়ালে ব্রণ দূর করার উপায়

মুখের চোয়ালে ব্রণ দূর করার উপায়
মুখের চোয়াল:
এবার মুখের চোয়াল। চোয়াল হয়ে থাকা বর্ণ  ছেলেদের থেকে বেশি মেয়েদের দেখা যায় কেননা মুখের এই অংশটি মেয়েদের প্রজনন অঙ্গের সাথে জুড়ে রয়েছে এইজন্য চোয়ালে আসা পিম্পেল হরমোনাল ইমব্যালেন্স মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল এবং প্রিয়েডের সমস্যা থেকে দেখা দিতে পারে।
তাই এই সময় এমন জিনিস বিশেষ করে যেটা হরমোনকে টার্গেট করে সেই জিনিস একদম পান করবেন না বা কিছুদিনের জন্য সেটা  ছবেন না।
যেমন বাইরের জাঙ্কফুড দুধ এবং চিনি দিয়ে মানুষ এবং তাজা ফল আপেল জুস এগুলো বেশি করে পান করবেন।

ঠোঁটের আশেপাশের অংশে ব্রণ দূর করার উপায়

ঠোঁটের আশেপাশের অংশে ব্রণ দূর করার উপায়
ঠোঁটের আশেপাশের অংশে:
এরপর কথা বলি দারি আর ঠোঁটের আশেপাশের অংশের ব্যাপারে আমাদের এই অংশটি আমাদের নারী ও রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম কে নির্দেশ করে।
যা আপনার হরমোনের ঘাটতি কি নির্দেশ করে। তাই এমন জিনিস যা হজম করতে সমস্যা হয় এবং গ্যাস তৈরি করে ওই সব খাবার থেকে দূরে থাকুন। যেমন ময়দার বানানো খাবার বা অনেক বেশি তেল মসলা খাবার আর তার সাথে হাই ফাইবার যুক্ত খাবার আপনার ডায়েরি রাখুন।
যাতে পাচনতন্ত্র ভালোভাবে কাজ করতে পারে যেমন বাউন্ডারি,ওটস,ভেন্ডি,মটর,গাজর,অ্যাপেল। আবার অনেক সময় একই জায়গায় বর্ণ  হওয়ার কারন বর্ণ ও পিম্পেলকে হাত দিয়ে টিপে পাঠানো হতে পারে। কারণ বর্ণ বা পিম্পেলকে ফাটানোর সময় বাইরে ফাটে না,তার সাথে ভেতরে ফাটে। আর যার ফলে বাইরের ব্যাকটেরিয়া স্কিনের ভেতরে প্রবেশ করে যাই, এবং সেটা মাল্টিপ্লাই হতে থাকে। যার ফলে বর্ণনের  আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আর তাই নয় কোনো বর্ণ হওয়ার  কারণ রয়েছে।
ব্রণ দূর করার উপায় কি
আর যা একটা আর্টিকেলে বলা সম্ভব নয়। আর তাই পরবর্তী আর্টিকেল  মানে দ্বিতীয় পাটে জনাবো পিনটেল বা বর্ণর জন্য কি খাব আর কি খাব না আর বর্ণ হওয়ার অন্যান্য কারণ গুলো জানার চেষ্টা করব। তো আজকের জন্য এটুকুই যদি কোন কোশ্চেন থাকে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।
0 Shares