মরক্কোর জনগন সবসময় ফিলিস্তিন এবং আল আকসার পক্ষে আছে: মরক্কোর রাজা

0 Shares

ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সব ধরনের উপায় প্রত্যাখ্যান করেছে মরক্কো। রোববার সন্ধ্যায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী সাদ ইদ্দিন আল ওথমানি এ ঘোষণা দেন।

বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রত্যাখ্যান করছি আমরা। কারণ তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার লুণ্ঠনকে আরো উৎসাহী করবে। জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, মরক্কোর রাজা, সাধারণ জনগণ সবসময় ফিলিস্তিনি জনগণ এবং জেরুজালেমের আল আকসার পক্ষে আছে।

১৯৬৭ সালে ইসরাইল জেরুজালের দখল করে নেয়। ফিলিস্তিন-ইসরাইলের মধ্যে অসলো চুক্তি সইয়ের পর ১৯৯৩ সালে তেল আবিবের সঙ্গে স্বল্প পরিসরে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে মরক্কো।

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি নিপীড়ন, নির্মমতা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ২০০০ সালে সেই সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশটি।

চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একমত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক দল এবং সংগঠন তাদের এ চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। আমিরাত-ইসরাইল চুক্তি ফিলিস্তিনিদের স্বপ্ন এবং অধিকার বাস্তবায়নে কোনো কাজে আসবে না বলেও দাবি তাদের।

আরো পড়ুন: মুসলমানদের ক্বেবলা একদিন মুক্ত হবেই, সেদিন ইসরাইল পানির মতো ভেসে যাবে: ইরান

ইরান বলছে- মুসলমানদের এই প্রথম ক্বেবলা একদিন মুক্ত হবেই; সেদিন ইসরাইলের সঙ্গে তার সহযোগীরাও বানের পানির মতো ভেসে যাবে। স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের নামে ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বীকৃতির সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান।

তেহরান বলেছে, আবু ধাবি এ কাজ করে কৌশলগত নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে এবং এর অবশ্যম্ভাবী ফল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে প্রতিরোধ অক্ষ শক্তিশালী হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হওয়ার পর তেহরান এ প্রতিক্রিয়া জানাল।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সকালে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলে। বিবৃতিতে বলা হয়, নির্যাতিত ফিলিস্তিনী জাতিসহ বিশ্বের কোনো স্বাধীনচেতা জাতি অবৈধ দখলদার ও অপরাধী ইসরাইলের সঙ্গে তার অপরাধের ভাগীদারদের এই সম্পর্ক স্থাপন প্রক্রিয়াকে কখনো ক্ষমা করবে না।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ফিলিস্তিনী ভূখণ্ড ও মুসলমানদের প্রথম ক্বেবলা আল-আকসা মসজিদ মুক্ত করার লক্ষ্যে গত সাত দশক ধরে যে প্রতিরোধ সংগ্রাম চলে এসেছে তা আজ হোক কিংবা কাল ইসরাইলসহ তার অপরাধের সকল সহযোগীকে একসঙ্গে গ্রাস করবে।

একটি অবৈধ ও মানবতাবিরোধী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে সংযুক্ত আরব আমিরাত চরম বিপজ্জনক কাজ করেছে। এই ঘটনার জের ধরে পারস্য উপসাগরে সম্ভাব্য যেকোনো পরিণতির জন্য আবুধাবিসহ এ অঞ্চলে তার সহযোগী সরকারগুলোকে দায়ী থাকতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইতিহাস বলে দেবে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ফিলিস্তিনি জাতিসহ গোটা মুসলিম উম্মাহর পিঠে যে খঞ্জর বসিয়েছে তার পরিণতিতে এ অঞ্চলের প্রতিরোধ আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হবে। সেইসঙ্গে ইহুদীবাদী ইসরাইল ও তার তাবেদার আরব শাসকদের বিরুদ্ধে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জনগণের ঐক্য ও সংহতি শক্তিশালী হবে।

সূত্র: পার্সটুডে

আরো পড়ুন: নারীকে ভাইস প্রেসিডেন্ট বানালে পুরুষরা অপমানিত হবে:‌ ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, একজন নারীকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য পুরুষরা অপমানিত হতে পারেন। বুধবার (১২ আগস্ট) এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ কথা বলেন।

ডেমোক্রেট দলীয় নারী সিনেটর কমলা হ্যারিসকে ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে বেছে নেয়ায় জো বাইডেনের সমালোচনা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন। এর আগে ডেমোক্র‌্যাটদের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেন কৃষ্ণাঙ্গ এবং ভারতীয় বংশোদ্ভুত নারী কমলা হ্যারিসকে বেছে নেন ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করার জন্য।

গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) টুইট করে এই ঘোষণা করেন বাইডেন। তিনি জানান, ‌সহযোদ্ধা হিসেবে কমলা হ্যারিসকে নির্বাচন করতে পেরে আমি গর্বিত। নির্ভীক যোদ্ধা। দেশের অন্যতম সেরা জননেতা। ‌দু’‌জনে মিলে ট্রাম্পকে হারাব‌।

কিন্তু জো বাইডেনের এমন সিদ্ধান্তের দিকে তীর্যক দৃষ্টি দিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, কেউ বলবেন, সিদ্ধান্তটি ভাল। কিন্তু অনেক পুরুষই অপমানিত হতে পারেন তার এই সিদ্ধান্তে।

আরো পড়ুন: আগামী ১৫ বছরের মধ্যে রাশিয়ার জনসংখ্যার ৩০ ভাগই হবে মুসলিম !

আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়ায় বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা। দিন দিন ইসলামের দিকে ঝুঁকছেন দেশটির মানুষ। আর তাই আগামী ১৫ বছরের মধ্যে দেশটির মোট জনসংখ্যার ৩০ ভাগই হবে মুসলিম।

এছাড়াও আগামী ৩০ বছরের মধ্যে সেদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ হবে মুসলিম। গত সোমবার (১০ আগস্ট) রাশিয়ার ফেডারেল অ্যাসেম্বলির নিম্নকক্ষে ‘স্টেট ডুমা’ আয়োজিত এক ফোরামে দেশটির অর্থোডক্স চার্চের প্রধান যাজক দিমিত্রি স্মির্নভ এসব তথ্য তুলে ধরেন। খবর দ্যা মস্কো টাইমসের।

এদিকে রাশিয়ার গ্র্যান্ড মুফতী রাভিল জাইনুদ্দিন বলেন, যে হারে মুসলিম সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে সেভাবে মসজিদ নির্মাণ হচ্ছেনা রাশিয়ায়। আর এ কারণে নামাজ আদায়ে মসজিদের সংকট দেখা দিয়েছে। রাভিল জাইনুদ্দিনের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে ওই ফোরামে যাজক দিমিত্রি স্মির্নভ বলেন,

রাশিয়ায় মুসলিম জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির হার এভাবে অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে মুসলিমরাই হবে রাশিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী। নামাজ আদায়ে আরও অনেক মসজিদ নির্মাণ করতে হবে জানিয়ে গ্র্যান্ড মুফতী রাভিল জাইনুদ্দিন বলেন, ২০১৮ সালে রাশিয়ার মসজিদগুলোতে প্রায় ৩২ লাখ মুসলিম অংশগ্রহণ করেছে।

এ সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী, রাশিয়ার মোট জনসংখ্যা ছিল ১৪৬.৮ মিলিয়ন। এর মধ্যে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ১৪ মিলিয়ন , যা রাশিয়ার মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ।

রাশিয়ায় নর্থ কাউকাসুস ও তাতারাস্তান অঞ্চল দুটি দেশটির মুসলিম প্রধান অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। আর এই দুই প্রজাতন্ত্রে উচ্চহারে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার জনপরিসংখ্যান রিপোর্ট

আরো পড়ুন: এথেন্সে নামাজের স্থানগুলো বন্ধের নির্দেশ,বৈষম্যের শিকার মুসলিমরা !

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে বিপুলসংখ্যক মুসলিম মারাত্মক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র রাজধানী এথেন্সেই কোনো মসজিদ নেই। মুসলিমরা গ্যারেসজসহ কোনো কোনো স্থানকে নামাজের স্থান হিসেবে ব্যবহার করছিল।

কিন্তু ওইসব স্থানও বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অথচ বারবার প্রতিশ্রুতি দেয়া সত্ত্বেও নগরীতে একটি মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে না। এর ফলে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন সেখানকার বিপুলসংখ্যক মুসলিম। এ ব্যাপারে টিআরটি ওয়ার্ল্ড একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, গ্রিসের এথেন্সে অনুমোদনহীন স্থানগুলোতে নামাজ না পড়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

এসব স্থানের কোনো কোনোটিতে ১৯৮৯ সাল থেকে নামাজ চলত। ফলে মুসলিমরা মারাত্মক বিপদে পড়েছেন। গ্রিসের এক মুসলিম বলেছেন, এটি আমাদের নিজ বাড়ির মতো ছিল। যেখানে আমরা প্রতিদিন পাঁচবার সালাত আদায় করেছি। এখন এটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

আমরা তাহলে এখন কোথায় যাব? গ্রিস কর্তৃপক্ষ বলছে,

0 Shares