বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা, ঘুমিয়ে আছেন নগরপিতা!

0 Shares

সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেছে বিভাগীয় শহর খুলনা মহানগরীর ব্যস্ততম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও নিম্ন এলাকা। দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। ফলে দুর্ভোগের শেষ নেই সাধারণ মানুষের। জলাবদ্ধতার কারণে নগর পিতা দিবা ঘুমে আচ্ছন্ন বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় নগরীর খানজাহান আলী রোড, পিটিআই মোড়, রয়েল মোড়, কেডিএ এভিনিউ, লোয়ার যশোর রোড, ডাকবাংলো মোড়, শান্তিধাম মোড়, ফুলমার্কেট, টুটপাড়া, নতুন বাজার, খালিশপুর বাস্তুহারা, বয়রা এলাকা, মুজগুন্নী, হাউজিং বাজার, নতুন কলোনী, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং নিম্ন এলাকার ঘরবাড়ী।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া মুষলধারায় বৃষ্টি চলে ২টা পর্যন্ত।

বিকেল পর্যন্ত সড়কগুলোতে কোথাও কোথাও দুই থেকে তিন ফুট পানি জমে খাল-বিল বা জলাশয়ের মতো দৃশ্যে পরিণত হয়। এছাড়া অলিগলি, সরকারি-বেসরকারি অফিস, মার্কেট ও বিপনী বিতানের সামনে তিন থেকে চার ঘণ্টা জমেছিল পানি। বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী পানিবদ্ধতা।

মিসেস মোহসিনা ফেরদৌসী জানান, ২দিন পর ঈদ। এখনো মানুষের এতো দুর্ভোগ। গ্রীষ্মকালীন মৌসুমী ফলমুলের উচ্ছিষ্ঠ ও মনুষ্য সকল ময়লা বৃষ্টির পানিতে মিলেমিশে রাস্তায় এক দুর্গন্ধময় অসহনীয় পরিবেশ।

আলম শেখ নামের এক শ্রমিক জানান, পানির জন্য হাঁটা যায় না। রাস্তায় চলাফেরা করা অনেক কষ্ট হচ্ছে। মানুষ চলতে পারে না। রাস্তায় গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। রিকশা ও ইজিবাইক চলাচল বন্ধ হয়ে যায় পানির তোড়ে।

খুলনা আঞ্চলিক আওহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বলেন, খুলনায় দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টার ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হয়েছে। এসময়ের মধ্যে মোট ৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা এবারের বর্ষা মৌসুমে স্বল্পসময়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড।

0 Shares