আবারও আগুনসহ বেলুন পাঠাতে শুরু করেছে ফিলিস্তিনিরা; আতঙ্কে ইসরাইল

765 Shares

ইহুদিবাদী ইসরাইলের উপশহরগুলোতে আবারও আগুনসহ বেলুন পাঠাতে শুরু করেছে ফিলিস্তিনিরা। এসব বেলুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে এ আশঙ্কায় দখলীকৃত অঞ্চলে গড়ে ওঠা উপশহরগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

গতকাল (শুক্রবার) একদল ফিলিস্তিনি তরুণ গাজা উপত্যকা থেকে এ ধরণের কয়েকটি বেলুন উড়িয়েছে। এসব ফিলিস্তিনি যুবকের একজন হলেন আবু ইয়াসির।

তিনি বলেছেন, ইসরাইলের অব্যাহত অপরাধযজ্ঞ বিশেষকরে আল-আকসা মসজিদে নামাজে বাধা এবং পশ্চিমতীরকে দখলে নেওয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বেলুন উড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ক্রমেই বেলুনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। তাদের অপরাধ যত বাড়বে আগুনসহ বেলুনের সংখ্যাও ততো বাড়বে।

এর আগেও ফিলিস্তিনিরা এ ধরণের বেলুন ও ঘুড়ি উড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। সে সময় তাদের বেলুন ও ঘুড়ির কারণে ব্যাপকভাবে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল দখলদার ফিলিস্তিনিরা।

ফিলিস্তিনিদের বেলুনের আগুনে গাজার ওপাশের উপশহরবাসীদের কৃষিক্ষেত্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। এছাড়া যেকোনো সময় যেকোনো বাড়িতে আগুন লাগতে পারে বলে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। সুত্র: পার্সটুডে

আলোচনার কথা বলে গোপনে অন্য সেক্টরগুলোতেও সেনা বৃদ্ধি করছে চীন!

প্রায় একমাস ধরে চলছে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চিনের মধ্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে শুরু হয় দুই দেশের আলোচনা। আলোচনা যখন দ্বিতীয় দফায় ঠিক তখনই ফের এলএসি বরাবর সেনা তৎপরতা শুরু করেছে চীন।

প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সেনা মোতায়েন করেছে বেইজিং। লাদাখ ছাড়া বাকি সেক্টরেও সেনা বৃদ্ধি চীনের লাদাখের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব সেক্টর সহ হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডেও সেনা বাড়িয়েছে চীন।

সূত্রের খবর যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এতদিন ভারত-চীন সেনার স্ট্যান্ড অফ চলছিল লাদাখে। তবে এই পরিস্থিতি এবার ভারতের উত্তর-পূর্বেও দেখা দিতে পারে। উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ বরাবর এলএসিতে চীনা সেনা জানা গিয়েছে,

লাদাখ নিয়ে শান্তি আলোচনা চালাতে থাকলেও চীন অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ বরাবর এলএসি-তে সেনার সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে চীন। এদিকে চীনের পক্ষ থেকে কোনও আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য ভারত এই তিনটি সেক্টরে সেনা বাড়িয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে জানা গিয়েছে।

এলএসি নিয়ে মূল বিবাদ চীন ও ভারতের মধ্যে যে বিতর্কিত সীমানা রয়েছে, তা হল এলএসি। এটি তিনটি এলাকায় বিভক্ত, পশ্চিম সেক্টর, মধ্য সেক্টর ও পূর্ব সেক্টরে লাদাখ। কোনটি আসল সীমানা তা নিয়ে এই এলাকায় দ্বন্দ্ব রয়েছে। ৩,৪৮৮ কিলোমিটারের এই রাস্তা ধরে সমস্যা রয়েছে দুই দেশে।

শান্তির পথে পদক্ষেপ এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে গালওয়ান এলাকা থেকে প্রায় ২.৫ কিমি পিছু হটে চীনের পিপল লিবারেশন আর্মির দল। ভারতও তাদের সেনা দল সরিয়ে নিয়েছে।

তবে সেনা সরালেও এখনও লাদাখের খুব কাছেই এখনও ট্যাঙ্ক সহ চীনের ১০ হাজার সেনা উপস্থিত রয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, চীন আলোচনার নামে মূলত ভারতের নজর এড়িয়ে সেনা বৃদ্ধি করছে।

765 Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published.