অরুণাচল নিয়ে এত দুশ্চিন্তা কেন? লাদাখ ইস্যুতে আগ্রাসী চীনকে কড়া বার্তা!

0 Shares

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৩ আগস্ট সোমবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশের জনগণ সব সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে-প্রধানমন্ত্রী-ইত্তেফাক
আগস্টের ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা আজও চলমান-ওবায়দুল কাদের-বাংলাদেশ প্রতিদিন
মহামারির নতুন ধাপে যুক্তরাষ্ট্র-করোনা উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি-দৈনিক ইত্তেফাক
স্কুল-কলেজের ‘টিউশন ফি’ নিয়ে উভয়সংকট-দৈনিক প্রথম আলো
নদীতে চামড়া ফেলে দিলেন ব্যবসায়ীরা-দৈনিক যুগান্তর
চলাচল নিয়ন্ত্রণ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত থাকবে, মাস্ক না পরলে ব্যবস্থা-দৈনিক যুগান্তর
রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ, আজ খুলেছে অফিস, ঈদের আমেজ-কালের কণ্ঠ
বাংলাদেশে করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু-দৈনিক সমকাল
বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ছুঁইছুঁই-দৈনিক মানবজমিন
বছর ব্যবধানে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকা-মানবজমিন
ভারতের শিরোনাম:

ভারতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫৩ হাজারের কাছাকাছি-আনন্দবাজার পত্রিকা
অনুমতি দিল DCGI, শীঘ্রই ভারতে শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল! -সংবাদ প্রতিদিন
হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা! নতুন শিক্ষানীতি কার্যকর করা হবে না রাজ্যে, জানাল তামিলনাড়ু -আজকাল
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:

১.কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে সাবেক মেজর সিনহার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর আগে তদন্ত কেন্দ্রের ২১ সদস্যকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়। বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

২.ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুর কোনো পদক্ষেপই বিনা জবাবে পার পাবে না.…. এ কথা বলেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। প্রশ্ন হচ্ছে- আইআরজিসি’র সেই সক্ষমতা আছে কিনা?

বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকেটি খবর:

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশের জনগণ সব সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে: প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাকের এ শিরোনামের খবরে লেখা হয়েছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার জন্য পুনরায় স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে অভিযুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর দেশের জনগণ তাদের সব সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে। জাতীয় শোক দিবস-২০২০ উপলক্ষে রবিবার সকালে ধানমন্ডি ৩২নং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ কৃষক লীগের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং অনাথদের মাঝে ঈদ উপহার, মৌসুমী ফল ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ বলেন। তিনি মোবাইল কল করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতা আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়ে গেছেন। দেশি-বিদেশি চক্র যারা এই স্বাধীনতা চায়নি এবং এতে বিশ্বাসও করতো না, এমনকি, স্বাধীনতা অর্জনে কোনরূপ সহযোগিতা পর্যন্ত করেনি, তারাই ষড়যন্ত্র করে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।

আর দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের খবরে লেখা হয়েছে, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগস্টের ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা আজও চলমান রয়েছে।

অর্থনীতির একটি খবরে দৈনিক যুগান্তর লিখেছে, নদীতে চামড়া ফেলে দিলেন ব্যবসায়ীরা। বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, রাজশাহীতে এবার কোরবানির চামড়া বিক্রি হয়েছে পানির দরে। গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর চামড়ার দাম ২০-২৯ শতাংশ কমিয়ে নির্ধারণ করেছিল সরকার। সেই দামও পাওয়া যায়নি চামড়া বিক্রির সময়। ছাগলের চামড়া রাজশাহীতে ৫ থেকে ৩০ এবং গরুর চামড়া ১০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।মৌসুমী ব্যবসায়ীরা অবশ্য একটু বেশি দামে চামড়া কিনেছিলেন। তারা ধরা খেয়েছেন। আড়তে বিক্রি করতে না পেরে সেই চামড়া পদ্মা নদীতেও ফেলে দিতে দেখা গেছে।প্রকৃত ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার তারাই ঠিকমতো বাজার বুঝতে পারেননি। একদিনের জন্য চামড়া কিনতে এসে মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও বোঝেননি। ফলে তাদের লোকসান বেশি। একজন মৌসুমি ব্যবসায়ীও লাভ করতে পারবেন না।

দৈনিক প্রথম আলোতে পরিবেশিত নিবন্ধ-অরুণাচল নিয়ে এত দুশ্চিন্তা কেন? ইতিহাস গবেষক আলতাফ পারভেজ তার একটি ঐতিহাসিক নিবন্ধে লিখেছেন,কিছুদিন আগেও দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র উত্তেজনাময় সীমান্ত ছিল ভারত-পাকিস্তানের কাশ্মীর এলাকা। এখন বাংলাদেশ ছাড়া এ অঞ্চলের প্রায় সব আন্তদেশীয় সীমান্তে নিয়মিত রক্ত ঝরছে। কেউ কেউ দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান দশককে বলছেন ‘সীমান্ত বিবাদের দশক’। সর্বশেষ পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে প্রায় ২০ জন মারা গেল। এর মধ্যে চীন-ভারত সীমান্ত বৈরিতা প্রায় স্থায়ী আকার নিয়েছে। এক ফ্রন্ট থেকে আরেক ফ্রন্টে ছড়াচ্ছে সেটা। লাদাখের পর সবার নজর এই মুহূর্তে অরুণাচল সীমান্তে। ভুটানের পূর্ব সীমান্তে চীন নতুন করে কিছু এলাকা দাবি করায় ভারতে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভুটানের ওই এলাকা পশ্চিম অরুণাচলের লাগোয়া। ভারত এসব এলাকা ভুটানকে ছেড়ে দিয়ে দেশটির সঙ্গে মৈত্রী চুক্তি করেছিল একদা। চীন এখন থিম্পুর কাছে সেসব এলাকা চাইছে। কিন্তু ভারতের অনুমতি ছাড়া ভুটানের পক্ষে—ইচ্ছা থাকলেও চীনকে কোনো ছাড় দেওয়া অসম্ভব।

ভারতের কাছে ‘অরুণাচল’—চীনের কাছে ‘দক্ষিণ তিব্বত’

পুরোনো ইতিহাসে অরুণাচল তিব্বতের অংশ ছিল। এখন অরুণাচল সম্পূর্ণই ভারতের নিয়ন্ত্রণে। স্বাভাবিকভাবে ভারতের তরফ থেকে অরুণাচল নিয়ে কোনো বিতর্কই পাত্তা দেওয়া হয় না। অথচ চীনের স্কাই ম্যাপের মানচিত্রে অরুণাচলকে তাদের দেখানো হয়। স্কাই ম্যাপ দেশটির ডিজিটাল মানচিত্র বানায়। তারা অরুণাচলকে বলে ‘লোয়ার তিব্বত’। কখনো কখনো ‘দক্ষিণ তিব্বত’। চীনের মতে, একসময় দালাই লামারাই লোয়ার তিব্বত শাসন করতেন। যেহেতু তিব্বত এখন চীনের হানদের নিয়ন্ত্রণে, সুতরাং অরুণাচলেরও মালিক তারা।অরুণাচলের তিন দিকে চীনের অবকাঠামো

১৯৬২-এর চীন-ভারত যুদ্ধের পর গত ১৫ জুনের লাদাখকাণ্ডের আগে পর্যন্ত উভয় দেশের মধ্যে বড় সংঘর্ষ হয়েছে তিনটি। এর দুটি হয়েছে অরুণাচল সীমান্তে। ১৯৭৫ সালে আসাম রাইফেলসের চারজন সৈন্যকে পিপলস লিবারেশন আর্মি হত্যা করে প্রদেশটির পশ্চিমের জেলা তাওয়াংয়ে। একই জেলায় ১৯৮৬ সালের আগস্টে আরেক দফা উত্তেজনা বেধেছিল। এসব সংঘর্ষকে ভারত-চীন প্রকাশ্যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই দেখিয়েছে। অরুণাচলের মালিকানার দাবিও পরস্পরের বক্তৃতা-বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ ছিল। লাদাখ অধ্যায়ের পর পরিস্থিতি আমূল পাল্টে গেছে।

কিছুদিন আগে অমিত শাহ যখন অরুণাচল যান, চীন প্রবল আপত্তি তোলে। ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরকে তারা ‘সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করে। বিবৃতির এই ভাষা বলছে, যেকোনো সময় চীন এই অঞ্চল নিয়ে আক্রমণাত্মক কূটনীতিতে যেতে পারে।তাওয়ের বিবরণ থেকে জানা যায়, অরুণাচলকে ঘিরে চীন প্রচুর অবকাঠামো বানাচ্ছে। কেবল রাজ্যটির পশ্চিমে নয়, সর্বপূর্বের অঞ্জ জেলায় এবং সর্বোত্তরের আপার-শুভনশ্রীতেও তৈরি হচ্ছে অনেক রাস্তাঘাট-ব্রিজ। অর্থাৎ কৌশলগতভাবে চীন অরুণাচলে পূর্ব-উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে চাপ তৈরি করছে।এমপি গাওয়ের ভাষ্যমতে, আপার–শুভনশ্রীর নতুন মাজা এলাকায় একসময় ভারতীয় একটা সীমান্তচৌকি ছিল। ওই পুরো এলাকাটি এখন চীনের নিয়ন্ত্রণে।

এসবের বাইরে চীন তিব্বতে অরুণাচলের গা ঘেঁষে লাসা থেকে লিনজি পর্যন্ত প্রায় ৪৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইন বসাচ্ছে। এই রেললাইন ১২০টি ব্রিজ এবং ৪৭টি টানেলের ভেতর দিয়ে যাবে। নিজেদের সীমান্ত লাগোয়া জনপদে চীনের উচ্চাভিলাষী এসব প্রকল্প স্বভাবত ভারতকে উদ্বিগ্ন করে।বিশ্বের নতুন সামরিক পরাশক্তি চীনের গরম নিশ্বাসের মুখে ভারতকে ব্রিটিশ সূত্রে পাওয়া এলাকাটি রক্ষায় ভরসা করতে হচ্ছে মূলত অস্ত্রপাতি ও সৈন্যদের ওপর। সীমান্তের এপারে অবকাঠামো গড়ছে তারাও।লাদাখের পর প্রায় সব ভারতীয় প্রচারমাধ্যমে চীনবিরোধী জাতীয়তাবাদী রণহুংকার প্রবল এক মাত্রা পেয়েছে। পুরো পরিস্থিতি আলাপ-আলোচনার সংস্কৃতির জোর কমিয়ে দিয়েছে। লাদাখে সন্তানদের একতরফা মরতে দেখে ভারতীয়রা যে গভীর দুঃখ পেয়েছে, তার প্রবল চাপ তৈরি করেছে চীন-ভারত সব ফ্রন্টে। বিশেষ করে অরুণাচলে।

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি:

লাদাখ ইস্যুতে আগ্রাসী চীনকে বার্তা, ভারতের পাশে দাঁড়াল মার্কিন কংগ্রেস

লাদাখ নিয়ে সংঘাতের ইস্যুতে এবার ভারতের পাশে দাঁড়ালেন মার্কিন কংগ্রেসের (US Congress) সদস্যরা। মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষ, হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভ (House of Representatives) ও সেনেটের (Senate) সদস্যরা এই সংঘাতের জন্য বেজিংকেই দায়ী করেছেন। এবং দলমত নির্বিশেষে প্রত্যেকে চীনের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর অবস্থানেরও প্রশংসা করেছেন। গালওয়ানে সংঘাত ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিনের অভিসন্ধি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের বিভিন্ন সদস্য গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বার বার সরব হয়েছেন। তাঁদের অনেকেই ভারতের সীমান্তে চিনের নাক গলানোকে কটাক্ষ করেছেন।

বর্ষীয়ান ডেমোক্র্যাট নেতা এবং হাউসের সদস্য ফ্র্যাঙ্ক পালোন ভারত-মার্কিন সুসম্পর্কের কথা বলে জানিয়েছেন, “চিনের এই সেনা আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে এই সংঘাতের সমাধান করতে হবে।” কয়েক সপ্তাহ আগে রিপাবলিকান সেনেটর রিক স্কট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে নয়াদিল্লির অবস্থানের সমর্থন করেছেন। গত তিন মাস ধরে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর ভারত-চিনের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। ক্রমাগত সেনা, যুদ্ধের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম মজুত করছিল লালফৌজ (PLA)। আলোচনা করেও সমস্যা মেটানো যায়নি। বরং দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন। চিনের তরফে ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর থেকেই উত্তেজনা প্রশমন দু’দেশের মধ্যে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চলছে।

হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা! নতুন শিক্ষানীতি কার্যকর করা হবে না রাজ্যে, জানাল তামিলনাড়ু

হিন্দিভাষা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা!‌ নতুন জাতীয় শিক্ষা নীতি কার্যকর করবে না তামিলনাড়ু। সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী এডাপ্পাডি কে পালানিস্বামী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পুনর্বিবেচনা করা হোক নতুন শিক্ষানীতি। পালানিস্বামীর কথায়, নতুন শিক্ষানীতিতে যে তিন ভাষার ফর্মূলার কথা বলা হয়েছে, তা বেদনাদায়ক এবং দুঃখজনকও বটে। প্রতিটি রাজ্যকেই নতুন শিক্ষানীতি নিজেদের মতো করে প্রয়োগের স্বাধীনতা দেওয়া হোক। হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়া বিরুদ্ধে ১৯৬৫ সালে বড় আন্দোলন হয়েছিল তামিলনাড়ুতে। পড়ুয়ারাই পথে নেমেছিলেন। প্রাক্তন তিন মুখ্যমন্ত্রী আন্নাদুরাই, এমজি আর এবং জয়ললিতাও বরাবর ‘হিন্দি আগ্রাসন’–এর বিরোধিতা করে গেছেন, জানান মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী।

ভারতের করোনা আপডেট খবরে দৈনিক আনন্দবাজারসহ প্রায় সব দৈনিকের খবরে লেখা হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজারের কিছু কম। মোট আক্রান্ত ১৮ লাখ পেরলো। এ সময় মৃত্যু হয়েছে, ৭৭১ জনের। মোট মৃতের সংখ্যা ৩৮ হাজার ছাড়ালো। দৈনিক আজকালের খবর-ভারতে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের ২য় এবং ৩য় পর্যায়ের ট্রায়ালের ছাড়পত্র দিল ডিসিজিআই। আর সংবাদ প্রতিদিনের খবরে লেখা হয়েছে- এবার করোনা আক্রান্ত পি চিদাম্বরমের ছেলে কার্তি চিদাম্বরম।-পার্সটুডে

0 Shares